এক গৃহবধূকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার রাতে বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলায়।

ঘটনাটি শুনার পর আদমদীঘি সার্কেলের সহকারী সিনিয়র পুলিশ সুপার আলমগীর রহমান আজ সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গৃহবধূর স্বামী আব্দুল মান্নান দিনমজুরি করে সংসার চালান। কাজের জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন এলাকায় থাকেন স্বামী। বুধবার রাতে উপজেলার পোড়াদহ এলাকায় ছিলেন মান্নান। বড় মেয়ে নানার বাড়িতে থাকায় স্ত্রী খাওয়া-দাওয়া শেষে ৫ বছরের মেয়েকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। এ সুযোগে টিনের দরজা কেটে ঘরে ঢুকে গৃহবধূকে ধর্ষণের পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

ভোরে নিহতের ছোট মেয়ে মিলি গ্রামবাসীকে ঘটনাটি জানালে তারা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

নিহতের স্বামী আব্দুল মান্নান জানান, দুই মাস আগে আমার বড় মেয়ের শ্লীলতাহানির একটি ঘটনায় একই গ্রামের এক বখাটের বিরুদ্ধে মামলা করায় তাদের পক্ষের লোকজন এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে ধারণা করছি।

দুপচাঁচিয়া থানা পুলিশের ওসি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ওই গৃহবধূকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে এ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য জানা যাবে।

কমেন্ট করে সাথেই থাকুন